স্টাফ রিপোর্টার, চাঁদপুর :
চাঁদপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর অসিত বরণ দাশ বলেছেন, সাহিত্যিকরা চাঁদপুরকে স্থানীয় ও জাতীয় ভাবে সমৃদ্ধ করছে। সম্প্রতি চাঁদপুরের সাহিত্যিকরা চাঁদপুরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে দারুণ কাজ করছে। যা এই চাঁদপুর জেলাকে একটি অনন্য পর্যায়ে স্থান দিয়েছে।
গতকাল শনিবার (১৩ জুলাই) বিকাল ৫টায় সাহিত্য একাডেমী মিলনায়তনে সাহিত্য একাডেমি চাঁদপুর এর ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলে।
প্রধান অতিথি বলেন, বই মানবিক অনুভূতি সম্পন্ন মানুষ গঠনে সহযোগিতা করে। তাই প্রচুর বই পড়তে হবে। বই পড়াকে আন্দোলনে রূপ দিতে হবে। সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চা বাড়লে দেশ আরও এগিয়ে যাবে।
সাহিত্য একাডেমীর অন্তবর্তীকালীন কমিটির আহবায়ক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে লেখক ও কথা সাহিত্যিক শামীম আহম্মেদের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাহিত্য একাডেমী চাঁদপুর এর সাবেক মহাপরিচালক কাজী শাহাদাত, সাহিত্য একাডেমী চাঁদপুর এর এডহক কমিটির সাবেক সদস্য সচিব ও চাঁদপুর প্রসক্লাব সভাপতি শাহাদাত হোসেন শান্ত, সাহিত্য একাডেমীর অন্তবর্তীকালীন কমিটির সদস্য কবি ও লেখক কাদের পলাশ, বিশিষ্ট নাট্যকার ও সাংবাদিক শরিফ চৌধুরী, সাহিত্য মঞ্চের সভাপতি মাইনুল ইসলাম মানিক, চাঁদপুর নজরুল পরিষদের সাধারন সম্পাদক কবি ও লেখক আব্দুল গণি, লেখক পরিষদের সভাপতি, জাহাঙ্গীর হোসেন, লেখক নাট্যকার জাহাঙ্গীর আলম হৃদয় প্রমুখ।
এর র্পূবে অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব কবি লেখক ও ছড়াকার ডাঃ পীযুষ কান্তি বড়ুয়ার স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভসূচনা হয়।
অনুষ্ঠানে সাহিত্য একাডেমি চাঁদপুর এর প্রয়াত সদস্যদের স্মরণে শোক প্রস্তাব ও তাদের সম্মানে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ করেন কবি এম আর ইসলাম বাবু, আরিফুল ইসলাম শান্ত, সুমন কুমার দত্ত, পলাশ কুমার দে, খোকন চন্দ্র মজুমদার, খোকন চন্দ্র মজুমদার, মুক্তা পীযুষ ও ছড়াকার আশ্রফুল আলম রাসেল।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে সাহিত্য একাডেমীর অন্তবর্তীকালীন কমিটির আহবায়ক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোস্তাফিজুর রহমান অন্তবর্তীকালীন কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন।
এসময় সাহিত্য একাডেমীর এক ঝাঁক প্রবীণ ও নবীন সাহিত্যিকরা উপস্থিত ছিলেন।


