কচুয়ায় সড়কের করুণ দশা

আবু ইউসুফ, কচুয়া :
রাস্তার পাশের দৃশ্যটা যদিও মনোরম মনে হয় কিন্তু এই রাস্তায় চলাচলে জনজীবনে ভোগান্তির কমতি নেই।  সড়কটি কচুয়া উপজেলার ৯ নং কড়ইয়া ইউনিয়নের বাসাবাড়িয়া গ্রাম থেকে দক্ষিণ দিকে চাঁদপুর এম খালেক মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ গেট পর্যন্ত।  পাশেই স্টিল ব্রিজ সংলগ্ন রাস্তার সাথে গিয়ে লেগেছে।
যে পথটি প্রায় এক কিলোমিটারের মতো হবে কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে আছে।  এই সড়কে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াত হয়ে থাকে।  এছাড়াও প্রতিদিন কয়েকশত শিক্ষার্থী আসা-যাওয়া করে।  বাসাবাড়িয়া মোঃ সোলায়মান মিয়ার বাড়ি থেকে শুরু করে চাঁদপুর এম এ খালেদ মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড  কলেজ গেট পর্যন্ত এই সড়কটি বহুদিন ধরে  বেহাল দশায় পড়ে আছে। কবে কখন এই সড়কের কাজ হবে বা হবে কিনা তেমন কোন পরিস্থিতি জনসাধারণের দৃষ্টিতে পড়ছে না।
প্রতিদিন বিভিন্ন খাদে রাস্তার ভাঙ্গায় যাত্রী সাধারণ দুর্ঘটনার  শিকার হয়। অনেক সময় বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীদের হাসপাতালে নেওয়ার জন্য গাড়িও পাওয়া যায় না।  কারণ তারা বলে এই রাস্তাতে গাড়ি চালালে তাদের উপার্জনের চেয়ে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় বেশি।  প্রতিদিন তাদের গাড়ির কল কব্জা নষ্ট হতে থাকে।  সেজন্য অসুস্থ মুমূর্ষ রোগীদের জন্য গাড়ি পাওয়াও মুশকিল হয়ে পড়ে।
মোঃ কামাল খন্দকার  নামে একজন পোনা মাছ চাষী তার প্রতিটি বিভিন্ন কাজে বাড়ি থেকে বের হতে হয়। তিনি বলেন,  যথাসময়ে মাছের পোনা গ্রাহকদের কাছে পাঠানো যায় না। অনেক পোনা পথেই মারা যায়।
কামাল খন্দকার আরো বললেন, এ রাস্তায় আমি বের হলে আমার গাড়ির বারোটা বেজে যায় খুব কষ্ট হয়। শিক্ষার্থীদের অনেকে বলে ভাঙ্গা রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে কোমর ধরে যায়।
বিথী রানী নামে এক শিক্ষার্থী বলে আমি এই স্কুলে পড়ছি প্রায় সাত বছর হয়ে যাচ্ছে।  এইবার এইচএসসি পরীক্ষা দেব।  এখান থেকে পাস করলে এ কলেজ থেকে বিদায় নেব।  কিন্তু শুরু থেকে এ রাস্তার যেই দুর্দশা ছিল এ পর্যন্ত এই কলেজের যাওয়া আসার ক্ষেত্রে রাস্তার দুর্ভোগ গেল না।
দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানায়িছে বাসাবাড়িয়া, সাদিপুরা, চাঁদপুর পদুয়াসহ বিভিন্ন গ্রামের মানুষ।