লক্ষ্মীপুরে নাছির আহমেদের অর্থায়নে কাঠের পুল মেরামত

স্টাফ রিপোর্টার:

চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০ নম্বর লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড খান বাড়ির সামনে দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ ও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়া কাঠের পুলটি নিজ অর্থায়নে মেরামত করে দিয়েছেন লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাছির আহমেদ খান।

জনপ্রতিনিধি না হয়েও দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন নাছির আহমেদ খান। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাঁচা রাস্তা বালু দিয়ে সংস্কার, কাঠের পুল মেরামত, মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়নসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন।

স্থানীয়রা জানান, লক্ষ্মীপুর বালুর মাঠের পূর্ব পাশে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের এই কাঠের পুলটি দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ চলাচল করেন। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে পুলটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়ায় শিক্ষার্থী, নারী, বয়স্ক মানুষসহ সাধারণ পথচারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। পুলটি সংস্কার হওয়ায় এখন এলাকাবাসীর চলাচলে স্বস্তি ফিরেছে।

এলাকাবাসী নাছির আহমেদ খানের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, জনসাধারণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে তিনি যে দ্রুত এগিয়ে এসেছেন, তা প্রশংসনীয়। তারা তার প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নাছির আহমেদ খান বলেন, আমি মনে করি, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য জনপ্রতিনিধি হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। এলাকার মানুষের যেকোনো সমস্যা আমার নজরে এলে সাধ্য অনুযায়ী তা সমাধানের চেষ্টা করি। এই কাঠের পুলটি দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকায় প্রতিদিন বহু মানুষ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছিলেন। তাই জনগণের চলাচলের সুবিধার কথা বিবেচনা করে নিজ অর্থায়নে পুলটি মেরামতের উদ্যোগ নিয়েছি। ভবিষ্যতেও লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের মানুষের কল্যাণে আমার সামর্থ্য অনুযায়ী উন্নয়ন ও সামাজিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, আমি কোনো প্রতিদানের আশায় এসব কাজ করছি না। মানুষের ভালোবাসা ও তাদের মুখে হাসি দেখাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, যাতে ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যেতে পারি।

পুলটি সংস্কারের পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ও জনদুর্ভোগ নিরসনে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।