জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে ৯০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার

দোকান ভাড়া দেওয়ার কথা বলে ৯০ লাখ টাকা অগ্রিম নিয়ে প্রতারণা ও আত্মসাতের অভিযোগে প্রতিবাদ ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা। অভিযোগের তীর হাজীগঞ্জ বাজারের চিটাগাং ম্যানশন ভবনের মালিক ও জামায়াত নেতা হিসেবে পরিচিত আতাউল করিমের দিকে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে হাজীগঞ্জ বাজারের চিটাগাং ম্যানশনের সামনে এ সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা। অভিযুক্ত আতাউল করিম ৮নং হাটিলা পূর্ব ইউনিয়নের জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সেক্রেটারির দায়িত্বে ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. সবুজ জানান, আতাউল করিম দোকান ভাড়া দেওয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে ৯০ লাখ টাকা অগ্রিম হিসেবে গ্রহণ করেন। কিন্তু প্রায় ১০ মাস পার হয়ে গেলেও তিনি দোকান বুঝিয়ে দেননি এবং টাকাও ফেরত দেননি। উল্টো তিনি আত্মগোপনে থেকে নানাভাবে প্রতারণা করে আসছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। বিষয়টি নিয়ে হাজীগঞ্জ বাজারে একাধিক সালিশ বৈঠকও হয়েছে। বৈঠকে আতাউল করিম কোরআন ছুঁয়ে শপথ করেও তা রক্ষা করেননি বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

এ বিষয়ে মো. কাদের বলেন, ভাড়া চুক্তিপত্র অনুযায়ী তারা ৬টি চেকের মাধ্যমে ৯০ লাখ টাকা দিয়েছেন। তিন দিনের মধ্যে দোকান বুঝিয়ে দেওয়ার কথা থাকলেও ১০ মাস পার হয়ে গেছে। এখনো তারা দোকান বুঝে পাননি। তাদের দাবি, হয় দোকানটি বুঝিয়ে দিতে হবে, নয়তো দেওয়া পুরো টাকা ফেরত দিতে হবে।

জানা গেছে, দোকানটির পূর্বের ভাড়াটিয়ার সঙ্গে ভাড়া চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও তাদের দেওয়া অগ্রিমের টাকা এখনো পরিশোধ করা হয়নি। এ কারণে দোকানটি বুঝিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়েছে।

ভুক্তভোগীরা দ্রুত আতাউল করিমের কাছ থেকে দোকান উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মো. সবুজ, মো. কাদের, ফায়জুল ইসলাম, মো.রাছেল ও হাসিব।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ভুক্তভোগীরা জানান, এ ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের কারণে তারা চরম আর্থিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। অবিলম্বে টাকা বা দোকান উদ্ধার না হলে তারা আইনের আশ্রয় নেবেন।