স্টাফ রির্পোটার:
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় চাঁদপুরে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ৭৪ শতাংশ। জেলার আট উপজেলা থেকে এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় মোট ৩০ হাজার ৪৭২ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৯ হাজার ১১৭ জন। তিন ধারায় মোট ১ হাজার ২২৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।চাঁদপুর জেলা শিক্ষা অফিসের প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
এসএসসিতে পাসের হার ৬৩.৭৫ শতাংশ
এবার চাঁদপুর জেলায় এসএসসি পরীক্ষায় ২৮৫টি প্রতিষ্ঠানের ২১ হাজার ৪৪৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৩ হাজার ৭৯৭ জন। পাসের হার ৬৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৮৫ জন।উপজেলাভিত্তিক ফলে দেখা যায়, এসএসসিতে হাইমচরে পাসের হার সর্বোচ্চ। সেখানে ১০টি প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪২৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৭৯ দশমিক ২৯ শতাংশ।
চাঁদপুর সদরে ৫০টি প্রতিষ্ঠানের ৪ হাজার ৬০৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩ হাজার ২৭৩ জন। পাসের হার ৭১ দশমিক ০৬ শতাংশ। এ উপজেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে সর্বোচ্চ ৪৮১ জন।
মতলব দক্ষিণে পাসের হার ৬৭ দশমিক ৩৩ শতাংশ। ২৯টি প্রতিষ্ঠানের ২ হাজার ৬৬৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ৭৯১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৮ জন।ফরিদগঞ্জে ৪৭টি প্রতিষ্ঠানের ৩ হাজার ১১৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২ হাজার ৫২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৬৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০৩ জন।
হাজীগঞ্জে পাসের হার ৬৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ। ৩৩টি প্রতিষ্ঠানের ২ হাজার ৯০৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ৮৪৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫৩ জন।মতলব উত্তরে ৩৯টি প্রতিষ্ঠানের ২ হাজার ৮৬২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৬৭৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫৮ দশমিক ৫১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৬ জন।
শাহরাস্তিতে পাসের হার ৫৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ। ৩৪টি প্রতিষ্ঠানের ২ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ৪৯০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯২ জন।অন্যদিকে কচুয়ায় ৪০টি প্রতিষ্ঠানের ২ হাজার ৯৪৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ৬৫৮ জন। পাসের হার ৫৬ দশমিক ২৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮১ জন।
দাখিলে পাসের হার ৫৭.৫৫ শতাংশ
জেলায় এবার দাখিল পরীক্ষায় ২০১টি প্রতিষ্ঠানের ৭ হাজার ৩০০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। উত্তীর্ণ হয়েছে ৪ হাজার ২০১ জন। পাসের হার ৫৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯২ জন।
দাখিলে হাজীগঞ্জে পাসের হার সর্বোচ্চ ৬৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ। এ উপজেলায় ২৩টি প্রতিষ্ঠানের ১ হাজার ১৫১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭৫৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছে এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৪ জন।কচুয়ায় পাসের হার ৬৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ জন। ফরিদগঞ্জে পাসের হার ৫৮ দশমিক ৮০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ জন। চাঁদপুর সদরে পাসের হার ৫৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৯ জন।
শাহরাস্তিতে পাসের হার ৫৬ দশমিক ৫ শতাংশ। মতলব দক্ষিণে ৩৯ দশমিক ৯১ শতাংশ এবং মতলব উত্তরে ৩৯ দশমিক ৬২ শতাংশ। দাখিলে মতলব উত্তরে জিপিএ-৫ পায়নি কোনো শিক্ষার্থী। হাইমচরে পাসের হার ৫১ দশমিক ২৮ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন।
ভোকেশনালে পাসের হার ৬৪.৯১ শতাংশ
এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় চাঁদপুরে ৩১টি প্রতিষ্ঠানের ১ হাজার ৭২৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ১১৯ জন। পাসের হার ৬৪ দশমিক ৯১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৭ জন।
ভোকেশনালে হাজীগঞ্জে পাসের হার ৭০ দশমিক ৭৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১ জন। মতলব উত্তরে পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন। কচুয়ায় পাসের হার ৬০ দশমিক ৭৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন। চাঁদপুর সদরে পাসের হার ৫১ দশমিক ২২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন।
ফরিদগঞ্জে ভোকেশনালে পাসের হার ৬৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ, তবে জিপিএ-৫ পায়নি কোনো শিক্ষার্থী। মতলব দক্ষিণে পাসের হার ৭১ দশমিক ৭৪ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। শাহরাস্তিতে পাসের হার ৭৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। হাইমচরে পাসের হার
৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন।


