স্টাফ রিপোর্টার:
ইলিশের ভরা মৌসুম চলছে। নদীতে ইলিশ ধরা পড়লেও চাঁদপুরের বাজারে কমছে না ইলিশের দাম। বরং আকার ও মানভেদে আগের মতোই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে জাতীয় মাছ ইলিশ। এতে সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে সুস্বাদু এ মাছ।
বুধবার চাঁদপুরের বড়স্টেশন মাছঘাটসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২৭শ থেকে ২৮শ হাজার টাকা পর্যন্ত। এর চেয়ে ছোট আকারের ইলিশও বিক্রি হচ্ছে উচ্চ দামে। ফলে ভরা মৌসুমে ইলিশের দাম কমার প্রত্যাশা থাকলেও তা পূরণ হচ্ছে না। যদিও কিছুদিন আগে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৩ হাজার টাকা কেজি দরে।
মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিবছর আগস্ট-সেপ্টেম্বর ইলিশের প্রধান মৌসুম হিসেবে বিবেচিত হয়। এ সময় নদী ও সাগরে ইলিশের সরবরাহ বাড়ার কথা। কিন্তু এবার প্রত্যাশিত পরিমাণে ইলিশ না পাওয়ায় বাজারে সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারেও।
চাঁদপুরের মাছ ব্যবসায়ীদের দাবি, নদীতে জেলেদের জালে ইলিশ ধরা পড়লেও আগের তুলনায় পরিমাণ কম। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন এলাকার বাজারে ইলিশের চাহিদা বেশি থাকায় চাঁদপুর থেকে ইলিশ অন্যত্র চলে যাচ্ছে। ফলে স্থানীয় বাজারে দাম কমছে না।
ক্রেতারা বলছেন, ভরা মৌসুমে ইলিশের দাম কিছুটা কমবে-এমন প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু বাজারে এসে সেই প্রত্যাশার বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে।
এক কেজি ওজনের ইলিশ কিনতে প্রায় ৩ হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে। এতে মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের ইলিশ কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।
জেলেরা জানান, নদীতে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ইলিশ পাওয়া গেলে এবং বাজারে সরবরাহ বাড়লে দাম কিছুটা কমতে পারে। তবে বর্তমানে জ্বালানি, বরফ, শ্রমিক ও পরিবহনসহ মাছ ধরার ব্যয়ও বেড়েছে। এসব কারণে ইলিশের বাজারদর দ্রুত কমার সম্ভাবনা কম বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে দ্রুতই নদীতে ইলিশ না পাওয়ার কারণ খতিয়ে দেখবে সরকার এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার আশাবাদী সচেতন মহল।


