অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে উচ্চশিক্ষা সহযোগিতা জোরদারে ড. সবুর খানের নেতৃত্বে বাংলাদেশি প্রতিনিধি দল

স্টাফ রিপোর্টার

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষতা উন্নয়নে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার করতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান এবং ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল অস্ট্রেলিয়া সফর করছে।

২৫ থেকে ৩০ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত এ সফরের মূল লক্ষ্য দুই দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারত্ব গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক একাডেমিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ অনুসন্ধান করা।

সফরের অংশ হিসেবে প্রতিনিধিদলটি অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব সিডনি, ম্যাককুয়ারি ইউনিভার্সিটি ও টিএএফই এনএসডব্লিউ পরিদর্শন করে। এ সময় ম্যাককুয়ারি ইউনিভার্সিটির অফিস অব দ্য ভাইস-চ্যান্সেলরের প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর (গ্লোবাল) অধ্যাপক অ্যান্থনি কাহালান এবং ইউনিভার্সিটি অব সিডনির আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব ও উন্নয়ন বিভাগের প্রধান ড্যানিয়েল মুইরের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। বৈঠকে আন্তর্জাতিক একাডেমিক সহযোগিতা, প্রাতিষ্ঠানিক সম্পৃক্ততা এবং পারস্পরিক অংশীদারত্বের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রতিনিধিদলের সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশনের (অস্ট্রেড) দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কমিশনার ভিক সিং এবং বাংলাদেশে অবস্থিত অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের বৃহত্তর দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বিভাগের জ্যেষ্ঠ পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান। এ ছাড়া প্রতিনিধিদলে আতীশ দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এডাস্ট) চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি এবং উচ্চশিক্ষা খাতের সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা রয়েছেন।

২৭ থেকে ৩০ অক্টোবর সিডনির ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ান ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন কনফারেন্স (এআইইসি) ২০২৬। এ সম্মেলনে আন্তর্জাতিক শিক্ষা খাতের নেতৃবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ও নীতিনির্ধারকেরা অংশ নিচ্ছেন। সম্মেলনটি বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষা খাতের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের সুযোগ তৈরি করছে।
ড. মো. সবুর খান অস্ট্রেলিয়ার আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি আলোচনায় উঠে আসা বিষয়গুলোকে বাস্তবভিত্তিক অংশীদারত্বে রূপ দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এর মাধ্যমে শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য কার্যকর সুফল নিশ্চিত করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর টেকসই অংশীদারত্বের সুযোগ বাড়বে। পাশাপাশি শিক্ষা, গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। এতে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাতের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এ উদ্যোগ।