বাকিলাতে প্রতিপক্ষের হামলায় সাবেক ইউপি সদস্যসহ আহত-৫ বসত-বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার:

হাজীগঞ্জের বাকিলাতে প্রতিপক্ষের হামলায় সাবেক ইউপি সদস্যসহ কমপক্ষে ৫ জন আহত হয়েছে ও বাসা বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। ভাড়াটিয়া লোক দ্বারা এ হামলা করার অভিযোগ উঠেছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে। গত শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে এ ঘটনাটি ঘটে হাজীগঞ্জের বাকিলা ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্রীপুরের আমির বাজার এলাকার মরহুম সোনা মিয়ার বাড়িতে।

মরহুম সোনা মিয়ার ছেলে সাবেক ইউপি সদস্য আহত কুতুব উদ্দিন জানান, আমাদের এলাকার আমির উদ্দিন গং এর ১২ শতাংশ জমির মধ্যে তার ওয়ারিশ থেকে আমরা ১৯৫৮ সালে ও ৬২ সালে ১০৩৯ দাগে ৫ শতাংশ জমি ক্রয় করি।

অপর দিকে একই ওয়ারিশ গং থেকে আমার বাড়ির মফিদ উদ্দিন গং ৬ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। বাকী ১ শতাংশ জমি ১০৩৯ দাগে রেজিস্ট্রি করে। কিন্তু মফিজ উদ্দিন গং জমি কিনে এ রেজিস্ট্রি করে ৯৯৪ দাগে রেজিস্ট্রি করেছে।

কুতুব উদ্দিন আরো জানান, আমার জমি কিনেছি ১০৩৯ দাগে তারা কিনেছে ৯৯৪ দাগে। এখন তারা আমাদের জমিতে এসে জোর জবরদস্তি করে আসছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উক্ত সম্পত্তি নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এর মধ্যে গত শনিবার রাতে কুতুব উদ্দিনের বসত-বাড়িতে হামলা চালায় মফিজ উদ্দিন গং। এতে করে কুতুব উদ্দিন মারাত্মক আহত হন, তার বসত ঘরের দরজা ভাংচুর, বসত ঘরের পানির পাইপ ভেঙে গুড়িয়ে দেয়াসহ এক নারীকে আহত করেন আরশাদ উল্যাহ গংয়ের ভাড়াটিয়া লোকেরা।

শান্তা নামের এক নারী জানান, আমার চাচাকে (কুতুব উদ্দিন) মারধরের সময় আমি ধরতে গেছি তখন আমার কানের দুল টান দিয়েছে নিয়ে যায়।

একই বাড়ির মৃত ইদিস মিয়া ছেলে শাহাবুদ্দিন জানান, শাহাবুদ্দিন আমাদের চলাচলের পথ বাধা দিয়ে রাখার কারণ আমরা বাড়িঘর থেকে বের হতে পারি না। ছেলে মেয়ে স্কুল যেতে পারে না। এ দিন রাতে আমাদের পাশের বাড়ির সাইফুদ্দিন, রাসেল, মমিন, মতিন, সুজন, মিলন, সাহেদ দলবল নিয়ে আমাদের উপরে হামলা করে।

এদিকে অভিযুক্ত ৬ শতাংশ জমির ক্রেতা আসাদুল্ল্যাহর ছেলে মফিজ জানান, আমির উদ্দিনের ওয়ারিশ ইসমাইল সরদার ও আব্দুল আজিজ মুন্সির থেকে আমরা দেড় করে তিন শতাংশ ক্রয় করি। মূলত আব্দুল আজিজ গংয়ের জায়গা রয়েছে ছয় শতাংশ কিন্তু উনারে বিক্রি করেছে ৮ শতাংশ। এখানেই আমাদের দ্বন্দ্ব।