স্টাফ রিপোর্টার
ফরিদগঞ্জে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় মারুফ হোসেন (১৫) নামে এক কিশোরকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, অচেতন অবস্থায় তার পায়ুপথে টয়লেট পরিস্কারের ডাস্টার পাইপ ঢুকিয়ে দেওয়ার মতো ন্যক্কারজনক নির্যাতনেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে কিশোরটিকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত মারুফ হোসেন ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১৪ নম্বর গজারিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রাঢ়ি বাড়ির বাবুল মিয়ার ছেলে।
মারুফের বাবা বাবুল মিয়া জানান, গত ৫-৬ দিন আগে ১৫ নম্বর রূপসা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কবিরাজ বাড়ি সংলগ্ন চৌকিদার বাড়ির মৃত সেরাজুল হকের ছেলে খালেদ হোসেন তার কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে ইয়াবা সেবন করছিলেন। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন যুবক তাদের ধাওয়া দেন। মারুফও মাদক সেবনের প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে ছিল।
বাবুল মিয়ার অভিযোগ, এর জের ধরে গত ৬ সেপ্টেম্বর খালেদ হোসেন গজারিয়া মসজিদের সামনে মারুফকে একা পেয়ে মারধর করেন। পরে তাকে অচেতন করে স্থানীয় একটি মসজিদের ছাদে নিয়ে হাত-পা ও মুখ বেঁধে বেধড়ক মারধর করা হয়। একপর্যায়ে অচেতন মারুফের পায়ুপথে মসজিদের টয়লেট পরিস্কারের ডাস্টার পাইপ ঢুকিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বাবুল মিয়া জানান, রাত ৮টার দিকে এশার আজান হলে মারুফের জ্ঞান ফিরে আসে। এ সময় মসজিদের ছাদ থেকে নিচে তাকিয়ে চিৎকার করতে থাকে সে। তার চিৎকার শুনে স্থানীয় মুসল্লিরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় মারুফকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ ঘটনায় আহত কিশোরের বাবা বাবুল মিয়া ফরিদগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।


