স্টাফ রিপোর্টার
ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে রোগীর ভাঙা পায়ের প্লাস্টার-সংক্রান্ত সেবা দিতে এক হাজার টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে কর্তব্যরত স্বাস্থ্যকর্মী নূর হোসেনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
অভিযোগকারী মোস্তফা জানান, গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তিনি তাঁর বাবাকে চিকিৎসার জন্য ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে বাবার ভাঙা পায়ের প্লাস্টার-সংক্রান্ত কাজের জন্য কর্তব্যরত স্বাস্থ্যকর্মী নূর হোসেন তাঁর কাছে এক হাজার টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মোস্তফার দাবি, তিনি ৫০০ টাকা দিতে চাইলে তা গ্রহণে আপত্তি জানানো হয়। এ সময় তাঁকে বলা হয়, হাতের প্লাস্টারের ক্ষেত্রে ৫০০ টাকা নেওয়া যেত, কিন্তু পায়ের প্লাস্টারের জন্য ৫০০ টাকা নেওয়া যাবে না। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধারণ করা একটি ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় লাখ মানুষের চিকিৎসাসেবার জন্য ফরিদগঞ্জ উপজেলায় রয়েছে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ এখানে চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্যকর্মী নূর হোসেন বলেন, এ বিষয়ে স্যার বক্তব্য দেবেন।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান জুয়েল বলেন, “বিষয়টি জানতে পেরেছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সচেতন মহলের দাবি, প্লাস্টার-সংক্রান্ত সেবার জন্য সরকারি নির্ধারিত কোনো ফি রয়েছে কি না এবং থাকলে তার পরিমাণ কত, তা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট করা প্রয়োজন। পাশাপাশি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁর


