স্টাফ রিপোর্টার
কচুয়া উপজেলার টেলিগ্রামে ভরাট করা খাস জমি নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধের জেরে টানা দুই দিন ধরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে একটি পরিবার। চলাচলের পথে টিন ও বাঁশের বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় পরিবারের সদস্যরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। পরে ভুক্তভোগীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে বেড়া সরিয়ে চলাচলের পথ উন্মুক্ত করে দেয় পুলিশ। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে কচুয়া থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. আলমগীর হোসেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনেন। পরে প্রতিপক্ষ মুক্তার মিয়াকে বেড়া তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বেড়া সরিয়ে নেন। একই সঙ্গে বিরোধের স্থায়ী সমাধানের জন্য উভয় পক্ষকে কাগজপত্র নিয়ে থানায় উপস্থিত হওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়। ভুক্তভোগী টেলিগ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে ওমর ফারুক জানান, তাদের বসতবাড়ির ৩৪ শতাংশ জমির সঙ্গে কিছু খাস জমি রয়েছে। বাড়ির লোকজনের চলাচলের সুবিধার্থে কিছুদিন আগে তারা পাঁচ ভাই মিলে ওই খাস জমির কিছু অংশ বালু দিয়ে ভরাট করেন। কিন্তু জায়গাটি ভরাট করার পর থেকেই পার্শ্ববর্তী বাড়ির মুক্তার মিয়ার সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ওমর ফারুকের অভিযোগ, একপর্যায়ে উত্তর পাশের হাজীর বাড়ির লোকজন এবং পশ্চিম পাশের মুক্তার মিয়া তাদের চলাচলের পথে বাধা সৃষ্টি করেন। গত রোববার টিন ও বাঁশ দিয়ে বেড়া নির্মাণ করে তাদের চলাচলের পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে ওমর ফারুকসহ তার পরিবারের সদস্যরা কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরিবারের সদস্যদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হওয়ায় তারা চরম দুর্ভোগে পড়েন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার কচুয়া থানায় অভিযোগ করলে মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সরেজমিনে পরিস্থিতি পরিদর্শন করে। এ সময় এএসআই মো. আলমগীর হোসেন উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনেন এবং চলাচলের পথে দেওয়া বেড়া সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। পুলিশের নির্দেশে মুক্তার মিয়া বেড়া তুলে নিলে পরিবারটির চলাচলের পথ আবারও উন্মুক্ত হয়।


