স্টাফ রিপোর্টার, চাঁদপুর :
চাঁদপুর সমন্বয়ক দাবি করায় তিন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছে সৈয়দ সাকিবুল ইসলাম নামে এক শিক্ষার্থী। সৈয়দ সাকিবুল ইসলাম চাঁদপুর শহরের নতুন বাজার এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে।
লিখিত অভিযোগটি আজ মঙ্গলবার দুপুরে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর দেয়া হয়।
যাদের বিরুদ্ধে অভিযোদ দেয়া হয় তারা হলেন, চাঁদপুর সদরের নাদিম পাটওয়ারী (২৩), মোঃ যোবায়ের ইসলাম ও (আসিফ) সিয়াম পাটওয়ারী।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, আমরা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাধারন ছাত্র-ছাত্রী। কোটা
সংস্কার আন্দোলনসহ বিভিন্ন বৈষম্যের বিরুদ্ধে আমারা সাধারন ছাত্র-ছাত্রী একত্রিত হয়ে চাঁদপুর জেলায়
আন্দোলন করি। গত ০৫/০৮/২০১৪ খ্রিঃ তারিখ সরকার পতন হওয়ার পর উল্লেখিত বিবাদীগন তাদেরকে
চাঁদপুর জেলার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হিসাবে দাবি করিয়া আসিতেছে। যার ফলে সাধারন
ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। এমতাবস্থায় ভবিষ্যতে যেকোনো সময় উক্ত বিবাদীগনের
সহিত সাধারন ছাত্রদের অপ্রীতিকর ঘটনা সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে যার ফলে আর জেলায় আইন শৃঙ্খল
পরিস্থিতি অবনতি হতে পারে।
অভিযোগে যাদের স্বাক্ষি করা হয় তারা হলেন, মোঃ রাকিব ভূঁইয়া, পিতা-মোঃ আব্দুর রাজ্জাক ভূঁইয়া, সাং-ফারাজী, ১১নং ওয়ার্ড, ৩। মোঃ যোবায়ের খান, পিতা-হাফেজ খান, সাং-দক্ষিণ বিষনদী সাফায়েত হোসেন রাজিন (১৮), পিতা মোঃ আক্তার হোসেন, সাং-ব্যাংক কল, ১৫নং ওয়ার্ড, ৫। সাদিয়া আক্তার (১৯), পিতা-মোঃ আবুল হোসেন তালুকদার, সাং ঐশী ও ১৩নং পৌ ওয়ার্ড, চাঁদপুর সহ আরো অনেকেই আছে।
এ প্রসঙ্গে যোবায়ের ইসলাম আসিফ বলেন, আমরা কোথাও সমন্বয়ক দাবি করিনি। আমরা সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে বিভিন্ন সময়ে কাজ করেছি।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি শেখ মুহাম্মদ মুহসীন আলম বলেন, আমরা বিষয়টি দেখছি। কোনো ভুল বুঝাবুঝি থাকলে তা নিরসনের চেষ্টা করা হবে।


