স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত শাহ আলম মিয়াজির দুই ছেলে সৌরভ, শুভ প্রকাশ নাঈম ও তাদের মা শিরিনা বেগম মিলে এ হামলার ঘটনা ঘটায়। হামলাকারীরা হান্নান মিয়াজির আপন ভাতিজা ও ভাবি।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, ২০২৩ সালের ৭ নভেম্বর হান্নান মিয়াজী তার ভাই শাহ আলম মিয়াজির কাছ থেকে ১৩১ নং বড় লক্ষীপুর মৌজার বিএস ২৫৮ ও ১৬৭ দুটি খতিয়ানের ১৫ শতাংশ জমি সাব-কাবলা দলিলে ক্রয় করেন। মঙ্গলবার সকালে তিনি নিজ জমিতে হালচাষ ও ধান রোপণ করতে গেলে প্রতিপক্ষ তাদের উপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।
হান্নান মিয়াজি ও তার স্ত্রীকে কুপিয়ে এবং বেদম মারধর করে রক্তাক্ত অবস্থায় জমিতে ফেলে রেখে যায় তারা। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত তিনজনকে উদ্ধার করে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে অবস্থার অবনতি হলে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
হান্নান মিয়াজির ছেলে মো. নাবিল সাংবাদিকদের বলেন, আমি বাড়িতে থাকি না। কিন্তু তারা আমার বাবা, মা ও সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা বোনকে যেভাবে মেরেছে মানুষ মানুষকে এমনভাবে মারতে পারে না। এখন তারা মৃত্যুশয্যায়। আমরা আইনের আশ্রয় নেব এবং দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।
স্থানীয়রা জানান, এর আগেও এ জমি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। শাহ আলম মিয়াজির ছেলে ও পরিবার হান্নান মিয়াজির কাছে জমি ফেরত চাইতে থাকে। জমি ফেরত না দেওয়ায় ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর একই পরিবারের উপর হামলা চালানো হয়েছিল।
মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রবিউল হক বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


