স্টাফ রিপোর্টার:
চাঁদপুরে বন্ধকি স্বর্ণ ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সপরিবারে আত্মগোপনে থাকা স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসকে চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে ভুক্তভোগী রাসেলের দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।পরে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।পুলিশ জানায়, পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে স্বর্ণ ও টাকা আত্মসাতের আরও অভিযোগ রয়েছে। আত্মসাত করা স্বর্ণ উদ্ধারে তদন্ত চলছে।
পিন্টু দাস চাঁদপুর শহরের কুমিল্লা রোডের আখন্দ মার্কেটের এস কে শিল্পালয় নামের স্বর্ণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক। অভিযোগ রয়েছে, তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির স্বর্ণালংকার বন্ধক রেখে টাকা দেওয়ার পর নির্ধারিত টাকা ফেরত পেলেও স্বর্ণ ফেরত না দিয়ে আত্মগোপনে চলে যান।
ভুক্তভোগী রাসেলের মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত পাঁচ দফায় পিন্টু দাসের কাছে স্বর্ণ বন্ধক রেখে মোট ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা নেন রাসেল। পরে গত ১৮ আগস্ট পাওনা টাকা পরিশোধ করে স্বর্ণ ফেরত চাইলে তাকে ২০ আগস্ট দোকানে আসতে বলা হয়। নির্ধারিত দিনে রাসেল দোকানে গিয়ে সেটি তালাবদ্ধ দেখতে পান। পরে পিন্টুর ভাড়া বাসায় গিয়েও তালা ঝুলতে দেখা যায়। এ সময় সেখানে থাকা অন্য ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের কাছ থেকেও স্বর্ণ বন্ধক রেখে টাকা নেওয়া এবং পরে স্বর্ণ ফেরত না দেওয়ার অভিযোগের কথা জানতে পারেন তিনি। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, পিন্টু দাস বিভিন্ন সময়ে কয়েকজনের কাছ থেকে স্বর্ণের চেইন, কানের দুল, লকেটসহ বিভিন্ন গহনা বন্ধক রাখেন। এসব স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৮ লাখ টাকা বলে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগ পাওয়ার পর চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ চট্টগ্রামের পটিয়ায় অভিযান চালিয়ে পিন্টু দাসকে স্ত্রী ও সন্তানসহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, ঘটনাটি নিখোঁজের নয়; অভিযোগের পর তারা আত্মগোপনে ছিলেন।
ভুক্তভোগী রাসেলের দায়ের করা মামলায় পিন্টু দাসকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং আত্মসাত করা স্বর্ণ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


