প্রতিটি মন্দিরে সিসি ক্যামেরা ও ভলেন্টিয়ার বাধ্যতামূলক ॥ ডিসি

স্টাফ রিপোর্টার

শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের প্রাক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৪ অক্টোবর) বেলা ১২টায় জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান বলেন, সরকারের নির্দেশ সবাইকে মানতে হবে। বিজয়া দশমীতে দেবীর বিসর্জন দিতে হয়তো ত্রিশ মিনিট এদিক ওদিক হতে পারে। তবে সরকারের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিসর্জন দিতে হবে। যেন রাত বারোটা না বেজে যায় সেদিকে আপনাদের দৃষ্টি রাখতে হবে। যেসব মন্দিরে প্রতিমা তৈরি করা হচ্ছে সেই সব মন্দিরে সিসি ক্যামেরা ও ভলেন্টিয়ার বাধ্যতামূলক পাহারায় রাখতে হবে। যাতে কোনো ধরনের অপ্রিতীকর ঘটনা ঘটতে না পারে। যে সব মন্দিরে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিমা আনা হবে সেই সব মন্দির কর্তৃপক্ষ ইউএনও এবং থানা পুলিশকে অবগত করে প্রতিমা আনতে হবে। যেকোনে সমস্যায় পুলিশকে অবগত করবেন। পূজার থিম বিষয় তিনি বলেন, পূজার সাথে মিল রেখে থিম তৈরি করবেন। এমন থিম তৈরি করবেন না পূজায় কোনো ধরনের ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়। পূজার অনুষ্ঠানে বাংলা গানের মিল রয়েছে। এমন গান বাজাবেন না যা পূজায় বিঘ্ন সৃষ্টি হতে পারে।

এ সময় বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উজালা রানী চাকমা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক একরামুল ছিদ্দিকী, চাঁদপুর পৌরসভার প্রশাসক অভিজিত চৌধুরী, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সহ সভাপতি নরেন্দ্র নারায়ন চক্রবর্তী, যুগ্ম সম্পাদক গোপাল সাহা, জেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি পরেশ মালাকার, সাধারণ সম্পাদক কার্তিক সরকার, সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক লক্ষ্মণ চন্দ সূত্রধর, সদস্য সচিব মানিক ঘোষ, পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নেপাল সাহা, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডঃ সুমন সরকার জয়, ফরিদগঞ্জ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব প্রবীর চক্রবর্তী, হাইমচর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বিবেক লাল মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক অজয় কৃষ্ণ মজুমদার, শাহরাস্তি উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নিখিল রঞ্জত মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক অমৃত মজুমদার টুটুল, হাজীগঞ্জ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রুহি দাস বণিক, সাধারণ সম্পাদক সমীর লাল দত্ত, কচুয়া উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ফণী ভূষণ মজুমদার তাপু প্রমুখ।