স্টাফ রিপোর্টার
আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব উলংগংয়ের সঙ্গে ২+২ ও ৩+১ শিক্ষাপথ চালুর বিষয়ে সমঝোতা করেছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ)। এর ফলে নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ডিআইইউর কয়েকটি স্নাতক প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশে পড়াশোনার পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করার সুযোগ পাবেন।
২৮ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার উলংগংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির মূল ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সমঝোতা হয়। ডিআইইউর পক্ষে প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান এবং ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান।
সমঝোতা অনুযায়ী, ডিআইইউর ব্যাচেলর অব এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ, ব্যাচেলর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, ব্যাচেলর অব আর্টস ইন ইংলিশ এবং ব্যাচেলর অব সোশ্যাল সায়েন্স ইন জার্নালিজম, মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন (জেএমসি) প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীরা এ সুযোগ পাবেন।
২+২ শিক্ষাপথে শিক্ষার্থীরা ডিআইইউতে দুই বছর অধ্যয়নের পর অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব উলংগংয়ে পরবর্তী দুই বছর পড়াশোনা করতে পারবেন। অন্যদিকে, ৩+১ শিক্ষাপথে ডিআইইউতে তিন বছর অধ্যয়নের পর উলংগং বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বছর পড়ার সুযোগ থাকবে। তবে এ সুযোগ সংশ্লিষ্ট প্রোগ্রামের অনুমোদন, ক্রেডিট স্থানান্তর ব্যবস্থা এবং দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ও একাডেমিক শর্ত পূরণের ওপর নির্ভরশীল।
বৈঠকে ডিআইইউর অস্ট্রেলিয়া জোনের প্রতিনিধি আবদুল খান রতন উপস্থিত ছিলেন। ইউনিভার্সিটি অব উলংগংয়ের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন গ্লোবাল এনগেজমেন্টের অন্তর্বর্তীকালীন প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক জিয়াংতাও শি, ফ্যাকাল্টি অব আর্টস, সোসাইটি অ্যান্ড বিজনেসের ডেপুটি ডিন (গ্রোথ অ্যান্ড গ্লোবাল) অধ্যাপক ভেঙ্কাটা ইয়ানামান্দ্রাম, ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সায়েন্সেসের ডেপুটি ডিন (গ্রোথ অ্যান্ড গ্লোবাল) অধ্যাপক ফিলিপ ওগুনবোনা এবং গ্লোবাল পার্টনারশিপস বিভাগের প্রতিনিধিরা।
এ সমঝোতার ফলে শিক্ষার্থীরা দুই দেশের উচ্চশিক্ষাব্যবস্থায় অধ্যয়নের অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শিক্ষার পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে নতুন দক্ষতা অর্জন ও ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের প্রস্তুতিতেও এ উদ্যোগ সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
শিক্ষাপথ চালুর পাশাপাশি ভবিষ্যতে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময়, গবেষণা, উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং যৌথ শিক্ষাদানের মতো ক্ষেত্রেও সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। পারস্পরিক সমঝোতা ও একাডেমিক অনুমোদন সাপেক্ষে এ সহযোগিতা তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রকৌশলবিষয়ক প্রোগ্রামেও বিস্তৃত হতে পারে।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের জুনে প্রকাশিত কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিংস ২০২৭ অনুযায়ী, ইউনিভার্সিটি অব উলংগং বিশ্বে ১৯৫তম এবং অস্ট্রেলিয়ায় ১৩তম স্থান অর্জন করেছে।


