সুমন আহমেদ:
মতলব উত্তর উপজেলার চরমাছুয়া এলাকায় ধনাগোদা নদীর বুকে গড়ে ওঠা অবৈধ ‘ধনাগোদা রিভারভিউ ভাসমান রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে’ অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গিয়ে হেনস্তার শিকার হয়েছেন চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর মতলব উত্তর জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) শহিদুল ইসলাম।
জানা যায়, স্থানীয় একটি আবাসিক মিটার থেকে প্রায় ৪শ মিটার দূরত্বে তার টেনে রেস্টুরেন্টটিতে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়। আর সেই সংযোগ ব্যবহার করে শত শত লাইট ও ফ্যান চালিয়ে সেখানে চালানো হচ্ছিল বাণিজ্যিক কার্যক্রম। বিদ্যুৎ আইনে এটি গুরুতর অপরাধ হওয়া সত্ত্বেও, রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ কোনো অনুমতি ছাড়াই দিনের পর দিন এই অবৈধ সংযোগ ব্যবহার করে আসছিল।
বিষয়টি বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর বিদ্যুৎ বিভাগ সরেজমিনে যাচাই করে সংযোগ বিচ্ছিন্নের উদ্যোগ নেয়। গত সপ্তাহে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গেলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম রেস্টুরেন্টে প্রবেশ করলে সেখানে উপস্থিত কয়েকজন ব্যক্তি তার সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন। তাকে অবরুদ্ধ করার চেষ্টা করা হয় এবং পরিবেশ এমন তৈরি করা হয়, যাতে তিনি কার্যক্রম চালাতে না পারেন।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, রেস্টুরেন্ট নির্মাণের শুরু থেকেই প্রশাসনের কিছু অংশ এ বিষয়ে উদাসীন থেকেছে। নদীর বুক কেটে এমন স্থাপনা, তাও আবার বিদ্যুৎ আইনের তোয়াক্কা না করে—কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে যদি বাধা দেওয়া হয়, তাহলে বুঝতে হবে কারা এর পেছনে। এটা শুধু আইন ভঙ্গ নয়, রাষ্ট্রের দায়িত্বপ্রাপ্তদের কাজ করতে না দেওয়ার স্পষ্ট চিত্র।
এ ঘটনায় স্থানীয়রা দ্রুত তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একইসাথে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তার হেনস্তার বিষয়টিকে প্রশাসনিক পর্যায়ে গুরুত্ব দিয়ে দেখা এবং রেস্টুরেন্টের বিদ্যুৎ সংযোগ স্থায়ীভাবে বিচ্ছিন্ন করার দাবি উঠেছে।
এজিএম শহিদুল ইসলাম বলেন, সাইড লাইন বা আবাসিক মিটার দিয়ে কেউ বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারে না। এটি স্পষ্টভাবে বিদ্যুৎ আইনের লঙ্ঘন। কিন্তু সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গেলে আমাকে হেনস্তার শিকার হতে হয়। রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ সরাসরি বাধা দেয়।
জানা যায়, স্থানীয় একটি আবাসিক মিটার থেকে প্রায় ৪শ মিটার দূরত্বে তার টেনে রেস্টুরেন্টটিতে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়। আর সেই সংযোগ ব্যবহার করে শত শত লাইট ও ফ্যান চালিয়ে সেখানে চালানো হচ্ছিল বাণিজ্যিক কার্যক্রম। বিদ্যুৎ আইনে এটি গুরুতর অপরাধ হওয়া সত্ত্বেও, রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ কোনো অনুমতি ছাড়াই দিনের পর দিন এই অবৈধ সংযোগ ব্যবহার করে আসছিল।
বিষয়টি বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর বিদ্যুৎ বিভাগ সরেজমিনে যাচাই করে সংযোগ বিচ্ছিন্নের উদ্যোগ নেয়। গত সপ্তাহে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গেলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম রেস্টুরেন্টে প্রবেশ করলে সেখানে উপস্থিত কয়েকজন ব্যক্তি তার সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন। তাকে অবরুদ্ধ করার চেষ্টা করা হয় এবং পরিবেশ এমন তৈরি করা হয়, যাতে তিনি কার্যক্রম চালাতে না পারেন।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, রেস্টুরেন্ট নির্মাণের শুরু থেকেই প্রশাসনের কিছু অংশ এ বিষয়ে উদাসীন থেকেছে। নদীর বুক কেটে এমন স্থাপনা, তাও আবার বিদ্যুৎ আইনের তোয়াক্কা না করে—কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে যদি বাধা দেওয়া হয়, তাহলে বুঝতে হবে কারা এর পেছনে। এটা শুধু আইন ভঙ্গ নয়, রাষ্ট্রের দায়িত্বপ্রাপ্তদের কাজ করতে না দেওয়ার স্পষ্ট চিত্র।
এ ঘটনায় স্থানীয়রা দ্রুত তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একইসাথে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তার হেনস্তার বিষয়টিকে প্রশাসনিক পর্যায়ে গুরুত্ব দিয়ে দেখা এবং রেস্টুরেন্টের বিদ্যুৎ সংযোগ স্থায়ীভাবে বিচ্ছিন্ন করার দাবি উঠেছে।
এজিএম শহিদুল ইসলাম বলেন, সাইড লাইন বা আবাসিক মিটার দিয়ে কেউ বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারে না। এটি স্পষ্টভাবে বিদ্যুৎ আইনের লঙ্ঘন। কিন্তু সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গেলে আমাকে হেনস্তার শিকার হতে হয়। রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ সরাসরি বাধা দেয়।
তিনি আরও বলেন, আমি নিজেকে নিরাপদ মনে করিনি। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যদি কর্মকর্তাদেরই হেনস্তা হতে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কীভাবে আইন মানবে? আমি এ বিষয়ে ডিজিএম স্যারের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।


