সুমন আহমেদ:
মতলব উত্তর উপজেলায় মৎস্য দপ্তর ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উপজেলার ষাটনল, দশানী ও মোহনপুর এলাকায় অংশে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজয় কুমার দাস ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মোহনপুর স্টেশনের অফিসার ইনচার্জ মো. সেলিম। অভিযান চলাকালে নদীর বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৫০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। পরে এগুলো জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা যায়, ইলিশের প্রজনন মৌসুম, ডিম ছাড়ার সময় এবং জাটকা রক্ষায় বরাবরের মতো এ বছরও বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। স্থানীয় জনসাধারণকেও এতে সহায়তা করার আহ্বান জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
স্থানীয়দের দাবি, নিয়মিত এমন অভিযান চালানো হলে নদীতে মাছের উৎপাদন বাড়বে এবং জেলেরা লাভবান হবে।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজয় কুমার দাস বলেন, ইলিশ রক্ষায় এই অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। নদীতে অবৈধ জাল ব্যবহার মাছের প্রজনন ও পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
কোস্টগার্ড কর্মকর্তা মো. সেলিম বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী অবৈধ মৎস্য আহরণ প্রতিরোধে আমরা সর্বদা প্রস্তুত। মতলব উত্তর উপজেলার নদী ও চরাঞ্চলে নিয়মিত টহল ও অভিযান চলবে।
মঙ্গলবার (২২ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উপজেলার ষাটনল, দশানী ও মোহনপুর এলাকায় অংশে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজয় কুমার দাস ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মোহনপুর স্টেশনের অফিসার ইনচার্জ মো. সেলিম। অভিযান চলাকালে নদীর বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৫০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। পরে এগুলো জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা যায়, ইলিশের প্রজনন মৌসুম, ডিম ছাড়ার সময় এবং জাটকা রক্ষায় বরাবরের মতো এ বছরও বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। স্থানীয় জনসাধারণকেও এতে সহায়তা করার আহ্বান জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
স্থানীয়দের দাবি, নিয়মিত এমন অভিযান চালানো হলে নদীতে মাছের উৎপাদন বাড়বে এবং জেলেরা লাভবান হবে।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজয় কুমার দাস বলেন, ইলিশ রক্ষায় এই অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। নদীতে অবৈধ জাল ব্যবহার মাছের প্রজনন ও পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
কোস্টগার্ড কর্মকর্তা মো. সেলিম বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী অবৈধ মৎস্য আহরণ প্রতিরোধে আমরা সর্বদা প্রস্তুত। মতলব উত্তর উপজেলার নদী ও চরাঞ্চলে নিয়মিত টহল ও অভিযান চলবে।


