তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি প্রশ্ন রয়েছে মাদ্রাসায় পড়লে কি হবে? মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জেম ও মাদ্রাসা শিক্ষক হবে। এই কথাটি আজ থেকে ১০-১৫ বছর আগের কথা ছিল। বর্তমানে একজন আলেম মসজিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সমাজে সকল কাজে অগ্রাধিকার পেয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, উদাহরণ হিসেবে একটি শিশু যতটুকু জাগতিক শিক্ষা অর্জন করছে তার চেয়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা আরো বেশি অগ্রসর রয়েছে। যে সন্তানকে এতিমখানা মনে করে মাদ্রাসার শিক্ষা না দিয়ে স্কুল কলেজে পড়ালেখা করানো হয় তারা হয়তো জাগতিক শিক্ষা শিক্ষিত। অথচ মাদ্রাসা শিক্ষার চেয়ে জাগতিক শিক্ষায় শিক্ষিতরাই পিতা-মাতাকে বৃদ্ধাশ্রম পাঠায়।
অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা যোগাতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন আন্তর্জাতিক ক্বারী হাফেজ মঈনুদ্দিন মিসবাহ।
এসময় প্রতিষ্ঠানের সভাপতি আব্দুল আজিজ চাঁদপুরী, বরকন্দাজ বাড়ী জামে মসজিদের খতিব মাও. দ্বীন ইসলাম চাঁদপুরী, মতলব দারুল আরকাম মাদ্রাসার শিক্ষা সচিব মাও. মুফতি ফরহাদ হোসাইনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ইসলামী ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন।


