খলিফা লিয়াকত আলী প্রধানের জানাজা সম্পন্ন

স্টাফ রির্পোটার:

চাঁদপুরের মতলব উত্তরের বিশিষ্ট সমাজসেবক, মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের খলিফা শাহ মোহাম্মদ লিয়াকত আলী মাইজভাণ্ডারী প্রধানের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) জোহরের নামাজের পর দক্ষিণ ঠেটালীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর পীর ও মুরশিদ, মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন হযরত শাহসুফি ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল-হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল-মাইজভাণ্ডারী।

জানাজায় মরহুমকে শেষ বিদায় জানাতে হাজারো মুসল্লি, ভক্ত ও আশেকান অংশ নেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে চিটাগং রোড এলাকার বাসভবন থেকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে শনির আখড়া এলাকায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন কন্যা, একমাত্র ভাইসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

জানাজার আগে স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্যে ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল-হাসানী বলেন, খলিফা শাহ মোহাম্মদ লিয়াকত আলী আজীবন দরবারের নির্দেশনা মেনে মানবকল্যাণ ও তরিকতের খেদমতে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত সরল, উদার ও অতিথিপরায়ণ একজন মানুষ।

তিনি আরও বলেন, লিয়াকত আলী প্রধান তাঁর ফিলিং স্টেশনসংলগ্ন ভবনে একটি খানকাহ শরীফ প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়া জনস্বার্থে তিনি রাষ্ট্রের নামে প্রায় ২০ শতক জমি দান করেছেন। তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

দক্ষিণ ঠেটালীয়া গ্রামের এক ঐতিহ্যবাহী পরিবারে জন্ম নেওয়া লিয়াকত আলী প্রধান মতলব সাততলা ও ঠেটালীয়া শাহ সোলেমান ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী ছিলেন। শিক্ষার প্রসারে তিনি দক্ষিণ ঠেটালীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য জমি দান করেন। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।