স্টাফ রিপোর্টার:
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে কোণা পোড়া ১০ ও ২০ টাকার নোটের প্রচলন উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। মাঝেমধ্যে ৫০, ১০০, ৫০০ ও এক হাজার টাকার নোটও লেনদেনে পাওয়া যাচ্ছে। এসব ক্ষতিগ্রস্ত নোট গ্রহণে অনীহা থাকায় ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও পরিবহন চালকদের দুর্ভোগ বাড়ছে।
উপজেলার নতুন বাজার, সুজাতপুর বাজার, ছেংগারচর বাজারসহ বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিদিনই তাদের হাতে কয়েকটি করে কোণা পোড়া নোট আসছে। বিকল্প টাকা না থাকায় বাধ্য হয়ে এসব নোট গ্রহণ করতে হলেও পরে অন্যের কাছে দিতে গেলে অনেকেই তা নিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে লেনদেনে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির মুখেও পড়তে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ইয়াবা ও হেরোইন সেবনের ক্ষেত্রে কখনো কখনো কাগজের মুদ্রা ব্যবহার করা হয়। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আগুনের সংস্পর্শে এসে কিছু নোটের কোণা পুড়ে যায় এবং পরে সেগুলো বিভিন্ন মাধ্যমে বাজারে চলে আসে। তবে বাজারে থাকা সব কোণা পোড়া নোট একই কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে—এমন তথ্য নিশ্চিত নয় বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান বলেন, “মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়াতেও পুলিশ কাজ করছে।”
স্থানীয়দের দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত নোট দ্রুত ব্যাংকের মাধ্যমে বদল করার সুযোগ সহজ করা এবং মাদক নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হলে এ ধরনের নোটের প্রচলন অনেকাংশে কমে আসবে। পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষেরও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।


