ফ্যাসিবাদীরা দেশের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়

ফারাবী খান:

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতা ছেড়ে পালানো আওয়ামীলীগ দলকে ফ্যাসিবাদী দল হিসেবে উল্লেখ করেছেন ‘জাতীয় নাগরিক কমিটি’।

বিভিন্ন রূপে রূপান্তরিত হয়ে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে আসার চেষ্টা করিতেছে, আমরা স্পষ্ট বলে দিচ্ছি, হত্যা-গণহত্যার বিচারের আগে আওয়ামীলগী ফিরে আসতে চাইলে তাদেরকে প্রতিহত করা হবে। গণহত্যার দোসররা বিভিন্ন উপায়ে দেশের মধ্যে বিভক্তি তৈরি করতে চায় বলে অভিযোগ করেন ‘জাতীয় নাগরিক কমিটি’।

শুক্রবার ১৭ অক্টোবর বিকালে ‘ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ও নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ লক্ষ্যে’ রাজধানীর মেরুল বাড্ডার ডিআইটি খেলার মাঠে জাতীয় নাগরিক কমিটির সমাবেশে অনুষ্ঠিম হয় । সমাবেশের শুরুতে গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করে। ‘ঢাকা রাইজিং’ শিরোনামে দ্বিতীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। গত ৬ অক্টোবর যাত্রাবাড়ীতে প্রথম সমাবেশ করেন।

যে রূপেই ফিরে আসুক না কেন, ছাত্র-জনতা আওয়ামী লীগকে শক্ত হাতে দমন করবে বলে হুঁশিয়ারি দেন মাওলানা নাজির হোসেন। তিনি আন্দোলনের সময় খিলগাঁও এলাকার সংগঠক হিসেবে নেতৃত্ব দেন।
এসময় বক্তব্য দেন, আহত রেদোয়ানুল হোসাইন। ১৯ জুলাই গুলিতে নিহত হন শিক্ষার্থী মারুফ হোসাইনের বাবা মো. ইদ্রিস, নিহত শিক্ষার্থী নাঈমুর রহমানের বাবা খলিলুর রহমান, নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের মধ্যে আকলিমা আক্তার, কামাল হোসেন মোল্লা ও আলিশা আফরোজ।

জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, রামপুরা, বাড্ডা ছাত্র-জনতার আন্দোলনের প্রথম স্বাধীন জায়গা। ‘জুলাইর আন্দোলন ফ্যাসিবাদীর বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো হয়েছে। সমাবেশে নিহত ও আহত পরিবারের সদস্যদের অনেকেই বক্তব্য দেন।
আন্দোলনে নিহতদের পরিবারের খোঁজ খবর নেওয়া এবং আহতদের সু-চিকিৎসা নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।