কাতারে শ্রমিকের মৃত্যু! লাশ আনতে চান সহযোগিতা

মো. মাসুদ রানা:

কাতারে চাঁদপুরের কচুয়ার দহুলিয়া গ্রামের মোহাম্মদ হোসেন (৩২) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

শুক্রবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টায় নিজ কক্ষে মারা যান তিনি। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহতের বাবা মোহর আলী ও তার আত্মীয় স্বজন।
জানা যায়, পরিবারের বড় সন্তান সে, সবার বড় হিসেবে পরিবারের হাল ধরতে বিদেশে চলে যান।

স্থানীয় এনজিও সংস্থা থেকে ঋন নিয়ে তাকে বিদেশ বিদেশ পাঠান পরিবার। তার ধার-দেনা এখনো পরিশোধ করতে পারিনি পরিবার। সে কাতারে কনস্ট্রাকশনের কাজ করত। বর্তমোনে তার  স্ত্রী ও ২ মেয়ে রয়েছে। মৃত্যুর সংবাদ পৌছলে পুরো এলাকায় শোকের মাতম বইছে। পরিবারের মাঝে কান্নার আহাজারি ভারী আকাশ-বাতাস।
নিহতের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্থানীয় দোয়াটি গ্রামের অধিবাসী পলাশ চন্দ্রের মাধ্যমে প্রায় ৮ মাস আগে জীবিকার তাগিদে পাড়ি জমান কাতারে। চোখে হাজারো স্বপ্ন নিয়ে ভাগ্যের চাকা ঘুরাতে প্রবাসে পাড়ি জমান মোহাম্মদ হোসেন। কিন্তু বন্ধুদের সাথে আড্ডা ও শত্রুতার জেরে মদ্যপানে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি নিহত পরিবারের। তারা জানান, মোহাম্মদ হোসেন এলাকায় ঋন করে কাতার প্রবাসে পাড়ি জমান, কিন্তু ভাগ্যের চাকা ঘুরাতে গেলেও সে ফিরে আসবে না। তাকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে বলেও জানান নিহতের বাবা মোহর আলী ও বোন নাসরিন আক্তার।
নিহতের স্ত্রী নাসরিন আক্তার,ভাই আনোয়ার হোসেন ও ভগ্নিপতি আউয়াল জানান, মোহাম্মদ হোসেন ঋন করে বিদেশে পাড়ি দেন, সে সবেমাত্র৮ ৮মাস হলো বিদেশ গেছেন। বন্ধুদের অতিরিক্ত মদ্যপানে তার মৃত্যু হয়েছে বলেও জানান তারা। তবে ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত এর মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির দাবি জানান এবং তার লাশ দেশে আনতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।

স্থানীয় ইউপি সদস্য কামাল হোসেন বলেন, মোহাম্মদ হোসেনের পরিবারে স্ত্রী ও ২ মেয়ে রয়েছে। তার অকাল মৃত্যুতে পথে বসার অবস্থা পরিবারটির। এদিকে তার মরদেহ দেশে আনতে কাতার রাষ্ট্রদূত ও বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা কামনা করছি।