স্টাফ রিপোর্টার :
পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে চাঁদপুরের বড় স্টেশন মোলহেড ও ষাটনল পর্যটন কেন্দ্রে নেমেছে ভ্রমণপিপাসু মানুষের ঢল। ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে হাজারো মানুষ ছুটে এসেছেন মেঘনা নদীর পাড়ে। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য, নদীর বিশাল জলরাশি আর খোলা বাতাসে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে সকাল থেকে গভীর সন্ধ্যা পর্যন্ত ছিল মানুষের উপচেপড়া ভিড়।
শনিবার (৩০ মে) ঈদের তৃতীয় দিন সরেজমিনে দেখা যায়, চাঁদপুর বড় স্টেশন মোলহেড, চাঁদপুর রিসোর্ট, ফারিসা রিসোর্ট , মতলব উত্তরের ষাটনল পর্যটন কেন্দ্র, এখলাছপুর নয়াকান্দি হার্ডপয়েন্ট, মোহনপুর ও আমিরাবাদ মেঘনা নদীর তীরজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে পরিবার-পরিজন নিয়ে নানা বয়সী মানুষ ঘুরতে এসেছেন এখানে।
প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল, সিএনজি, অটোরিকশা, ভ্যান, নছিমন, ভটভটি এমনকি ট্রলার ও নৌকাযোগেও দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসতে দেখা গেছে। ভ্যাপসা গরম উপেক্ষা করেও মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
জানা গেছে, নদীভাঙন রোধে মতলব উত্তরের এখলাছপুর, মোহনপুর ও আমিরাবাদ এলাকায় মেঘনা-ধনাগোদা বেড়িবাঁধ রক্ষায় ব্লক বসিয়ে হার্ডপয়েন্ট ও গ্রোয়েন নির্মাণ করা হয়। সময়ের ব্যবধানে সেই নদী রক্ষা প্রকল্পই এখন রূপ নিয়েছে জনপ্রিয় বিনোদনকেন্দ্রে।
ঈদের ছুটিতে মেঘনা পাড় ঘিরে জমে ওঠে অস্থায়ী দোকানপাটও। ঝালমুড়ি, ফুচকা, চটপটি, আইসক্রিম ও বিভিন্ন মুখরোচক খাবারের দোকানে ছিল উপচেপড়া ভিড়। বিক্রি ভালো হওয়ায় খুশি দোকানিরাও।
এদিকে অনেক তরুণকে ট্রলারে সাউন্ড বক্স বাজিয়ে গান গেয়ে আনন্দ করতে দেখা গেছে। কেউ কেউ নদীর বুকে ট্রলার ভাড়া করে মেঘনা-পদ্মা পাড়ের বিভিন্ন চরেও ঘুরে বেড়িয়েছেন।
এখলাছপুর নয়াকান্দি হার্ডপয়েন্ট ও ষাটনল লঞ্চঘাট এলাকায় অর্ধশতাধিক ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ও নৌকা প্রস্তুত রেখেছিলেন মাঝিরা। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা থাকলেও আনন্দে ভাটা পড়েনি ।


