খুব শীঘ্রই চাঁমেক’র ক্যাম্পাস নির্মাণ কাজ শুরু হবে : ডাঃ দীপু মনি 

স্টাফ রিপোর্টার, চাঁদপুর:
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি এমপি বলেছেন চাঁদপুরে মেডিকেল কলেজের অবকাঠামো গত কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে একনেক সভায় চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ স্থায়ী ক্যাম্পাসের প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। খুব শীঘ্রই মেডিকেল কলেজের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ কাজ শুরু হবে। 
মন্ত্রী বলেন, চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ আমার কাছে স্বপ্নের মতো এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন হয়েছে।২০১৮ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা চাঁদপুরের বিশাল জনসভায় বলেছিলেন চাঁদপুরে একটি মেডিকেল কলেজ করে দিবেন এবং তা দিয়েছেন।
বর্তমানে চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের ১ম ব্যাচের চূড়ান্ত পেশাগত পরীক্ষা চলছে। কয়েকমাস পর এখান থেকে একঝাঁক তরুণ চিকিৎসক চাঁদপুরে চিকিৎসা প্রদান করবে।
তিনি আরো বলেন, ছেলেদের জন্য বাসা ভাড়া করে আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং একাডেমিক ভবনের জন্য নতুন বাসা ভাড়া করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। নতুন একাডেমিক ভবনে লাইব্রেরী এবং ল্যাবরেটরির সুবিধা নেওয়া সহজ হবে, এতে শিক্ষার্থীরা শিখতে পারবে এবং চাঁদপুরের মানুষ উপকৃত হবে।
বুধবার (৫ জুন) সকালে কলেজের অস্থায়ী ক্যাম্পাসের লেকচার হলে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের পরিচিতি সভা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, চিকিৎসক হওয়া সহজ নয়,পড়াশোনা কিছুটা কষ্টকর। যে ব্রত নিয়ে মেডিকেল কলেজে ভর্তি হওয়া তা যেন বজায় থাকে। মেডিকেল পড়াশোনার পাশাপাশি আধুনিক বিশ্বে নিজেকে তৈরি করতে হবে। মেডিকেল কলেজে পড়াশোনার সময় শত প্রতিকূলতা পার করতে হবে। সকল প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে চিকিৎসক হয়ে দেশ, জাতি এবং মানব কল্যাণে নিয়োজিত করুন।
মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ সাহেলা নাজনীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত চিকিৎসক সৈয়দা ডাঃ বদরুন নাহার চৌধুরী, চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ একেএম মাহবুবর রহমান, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল, মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডাঃ হারুন অর রশিদ, জেলা বিএমএ সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মাহমুদুন নবী মাছুম, সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ মিজানুর রহমান মিজানসহ অন্যান্যরা।