আবু ইউসুফ:
ঈদ মানে আনন্দ! ঈদ মানে উৎসব! যেকোনো ধর্মের মানুষের উৎসব মানেই আনন্দ! কিন্তু ইসলাম ধর্মের আনন্দের বহিঃপ্রকাশটা সমগ্র পৃথিবীর মানবজাতির মধ্যে একটু ভিন্ন থাকার কথা ছিল এবং আছে। কিন্তু বাংলাদেশের তথা-প্রত্যন্ত অঞ্চলের দিকে তাকালে ঈদুল আযহা সময়কালীন সবচেয়ে বড় বিষয় হল কোরবানি করা।
এই কুরবানী কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে পরিবেশ পরিস্থিতির উপর ব্যাপক গুরুত্ব দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনার কথা ইসলামের রয়েছে। রয়েছে কোরবানি থেকে প্রাপ্ত বস্ত সামঞ্জস্য বন্টন। যা একান্ত প্রাণ উজাড় করে মন থেকে লোভ লালসাকে ত্যাগ করে করার কথা বলা হয়েছে। সেটা ভালো। যে যেমন বুঝেছে অর্থনৈতিক মানসিক সামাজিক পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে তিনি তার মত করে কোরবানি উদযাপন করেছেন।
পরিবেশ দূষণের ক্ষেত্রে প্রত্যন্ত অঞ্চলের দিকে তাকালে ব্যাপক অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়। গ্রাম গঞ্জের রাস্তার পাশে খানা খন্দক খালে এখনো কোরবানীকৃত পশুর নাড়ি ভুঁড়ি বিভিন্ন ফেলে দেওয়া অঙ্গ পতঙ্গ গুলো পানিতে ভাসছে। পোকামাকড় ফুটে দুর্গন্ধে অঞ্চলকে অঞ্চল সয়ালাভ হয়েছে। তাহলে কি পেল কোরবানির শিক্ষা থেকে। এখানে সবচেয়ে বড় বিষয় ছিল পরিবেশ পরিস্থিতিকে পরিপাটি রাখা। কোনভাবেই যেন পরিবেশ দূষিত না হয় পদক্ষেপ নেওয়াই ছিল মুসলিম উম্মার প্রধান কর্তব্য।
এমনও দেখা গেছে প্রত্যন্ত অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বাড়ির পাশে খালে এ ধরনের কোরবানীকৃত পশুর ফেলে দেওয়া নারি ভুড়ী এবং বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পানিতে পঁছে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। তেমনি একজন লোক মফিজুল ইসলাম তাকে বলতেই তিনি বলে উঠলেন এদের আসর-আচরণের ব্যবহারের প্রকাশটা এমন ভাবেই হল যে, এরা এত বড় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন ব্যক্তিদের কুরবানীর পশুর নারী ভুঁড়ি আবর্জনা গুলু চলমান নয় স্থির খালের মধ্যে পানিতে ফেলে রেখেছে। আর দুর্গন্ধে সাধারণ মানুষের কষ্ট হচ্ছে। এমনকি চলমান গাড়িগুলো আসা যাওয়ার সময় তারা এক বিদঘুটে পরিস্থিতির মধ্যে আসা-যাওয়া করছে। এটা শুধু কোন একটি এলাকায় নয়। সমগ্র দেশের খানা খন্দকখালগুলোতে এমন দুর্বিসহ পরিবেশ তৈরি করে রেখেছে।
তাহলে কোরবানি ঈদুল আযহা এর অনুষ্ঠান থেকে আমাদের কি শিক্ষা নেওয়ার কথা ছিল। কি শিক্ষা নিয়েছি? এমনটাই বলছেন বিভিন্ন অঞ্চলের সাধারণ জনগণ। প্রশাসনিকভাবে এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান থেকে এমন পরিবেশ দূষণকারী ঘটনা, যেখানেই দৃশ্যমান এখনো রয়েছে, সেখানেই অভিযান চালিয়ে বর্জ্যের অবস্থান যার বসবাসের কাছাকাছি হবে, তাকেই আইনের আওতায় এনে সমুচিত শিক্ষা দিয়ে পরিবার দূষণের পরিস্থিতি থেকে জাতিকে, ভবিষ্যতে মুক্ত রাখার প্রক্রিয়া অবলম্বন করার জন্য এলাকার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ বিশেষ আহবান করছে।


