মো. ফাহাদ:
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে দুই সন্তানের জননী সাবিনা আক্তার গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ মেডিক্যালে রেখেই দুই সন্তান নিয়ে পালিয়ে যায় তার স্বামী কাউসার।
গতকাল সোমবার রাতে ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার পুর্ব বড়ালী গ্রামের এই ঘটনা ঘটে। আত্মহত্যার সংবাদ পেয়ে থানার এসআই আমদাজা সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে রাতেই উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
সাবিনা পুর্ববড়ালী গ্রামের সিদ্দিক আলি বেপারি বাড়ির (ওমান) প্রবাসী কাউসার হোসেনে’র স্ত্রী ও দুই সন্তানের জননী।
কাউসারের মা কোহিনুর বেগম জানান, আমি মাগরিবের নামাজ আদায় করে আমার ঘরেই ছিলাম। আমার ছেলে কাউসার ও ঘরের বাহিরে ছিল। ৯ টা নাগাদ ঘরে এসে দেখে সাবিনা ঘরের আড়ার সাথে ফাঁস দিয়ে ঝুলে আছে। তার চিৎকার শুনে আমি তাদের ঘরে যাই এবং আসপাশের লোকজন এসে তাকে মেডিক্যাল নিয়ে যাই। এরপর ডাক্তার দেখে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি আরো বলেন, আমার ছেলে গত দুই মাস পূর্বে বাড়িতে আসে। কি কারনে সে আত্মহত্যা করেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার বৌয়ের সাথে কোন সমস্যা ছিল না। তাহলে মেডিক্যালে মরদেহ রেখে পালিয়ে এসেছেন কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা ভয় পেয়ে চলে আসছি।
সাবিনার বাবা শুক্কুর আলী বলেন, আমার মেয়েকে ওর স্বামী দীর্ঘদিন যৌতুকের জন্য সহ চাপ দিতো এছাড়া বিভিন্ন সময় পারিবারিকভাবে ঝগড়া হতো, তবে আমার মেয়ে আত্মহত্যা করার মত না , এটা পরিকল্পিত হত্যা করা হয়েছে আমার মেয়েকে উনারা যদি হত্যা নাই করতো তাহলে কেন লাশ রেখে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে গেল আমি আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই ।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ্ আলম বলেন, সংবাদ পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মৃত দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে, আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াদিন রয়েছে।


