স্টাফ রিপোর্টার:
মতলব উত্তরে ক্ষমতার দাপটে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো. হৃদয় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পুনরায় সীমানা প্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়রা জানায়, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া ও সাদুল্লাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ এর ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত ছিলেন ছাত্রলীগ নেতা মো. হৃদয়।
জানা যায়, উপজেলার সাদুল্ল্যাপুর ইউনিয়নের গ্রামের শ্যামনগর গ্রামের আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বহিরাগত লোকজন নিয়ে পুনরায় জোরপূর্বক সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করছে সাদুল্ল্যাপুর ইউনিয়নের শ্যামনগর গ্রামের জয়নাল ফকিরের ছেলে ছাত্রলীগ নেতা হৃদয় (২৭), মৃত আলী ফকিরের ছেলে জয়নাল (৫৫), মৃত আবুল হোসেন ফকিরের ছেলে রহিম বাদশা (৫০)। মতলব উত্তর থানা পুলিশ এ ঘটনায় ২ বার কাজ বন্ধ করেছে। কিন্তু প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে আবার কাজ শুরু করেছে ঐ স্থানে।
শ্যামনগর গ্রামের শেকান্তর আলী প্রধানীয়ার ছেলে মো. তোফাজ্জল হোসেনে এবং একই গ্রামের মৃত আলী ফকিরের ছেলে জয়নালের মধ্যে মতলব উত্তর থানার অন্তর্গত সাবেক ১১নং হালে ১৩নং কালিপুর মৌজার বি.এস ৪৫৩ ও ৩৯নং খতিয়ানের অন্দরে সি.এস ৬৬৯ বি.এস ১১৬১ দাগে ভিটি ০৪ শতক ভূমির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গত ১২ এপ্রিল জয়নাল ফকির জোরপূর্বক ভাবে ঐ বাড়ির সীমানায় প্রাচীর নির্মাণ করছিল। তখন তোফাজ্জল হোসেন বাধা দিলে সেই বাধা উপেক্ষা কর তিনি সেখানে ভবন নির্মাণ করেন। তোফাজ্জল হোসেন কোন উপান্ত না পেয়ে চাঁদপুর আদালতের হৃদয় গং দের বিরুদ্ধে ফৌঃ কাঃ বিঃ আইনে ১৪৫ ধারার বিধান মতে আবেদন করলে গত ১৪ এপ্রিল চাঁদপুর বিজ্ঞ আদালতের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. তোফাজ্জল হোসেনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নথি পর্যালোচনা করে ৪৭০ স্মারকে মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) ওই স্থানের আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। এছাড়া মতলব উত্তর উপজেলা সরকারি কমিশনারকে (ভূমি) ঐ দাগের ভূমির দখল বিষয়ে মতামত সহ তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ান নির্দেশ করা হয়েছে। এবং দুই পক্ষকে কারণ দর্শাতেও নির্দেশ করা হয়েছে। আদালতের নোটিশের পরিপেক্ষিতে মতলব উত্তর থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মো. মিজানুর রহমান ১৪ এপ্রিল ঐ স্থানে দুই পক্ষকে নোটিশ প্রদান করেন এবং কাজ বন্ধ করে দিয়ে আসেন। এসময় তিনি জানিয়েছেন বিজ্ঞ আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এই স্থানে কোন রকমের কাজ করতে দেওয়া হবে না। পুলিশের নোটিশ পাওয়ার ২দিন পর ১৬ এপ্রিল সকালে আবার ঐ স্থানে আবার কাজ শুরু করেলে এসআই মিজানুর রহমান দ্বিতীয়বার কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) সকালে ছাত্রলীগের নেতা হৃদয় বহিরাগত লোকজন নিয়ে ২০ থেকে ২৫ জন লেবার নিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পুনরায় সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু করেছে।
শ্যামনগর গ্রামের শেকান্তর আলী প্রধানীয়ার ছেলে মো. তোফাজ্জল হোসেনে এবং একই গ্রামের মৃত আলী ফকিরের ছেলে জয়নালের মধ্যে মতলব উত্তর থানার অন্তর্গত সাবেক ১১নং হালে ১৩নং কালিপুর মৌজার বি.এস ৪৫৩ ও ৩৯নং খতিয়ানের অন্দরে সি.এস ৬৬৯ বি.এস ১১৬১ দাগে ভিটি ০৪ শতক ভূমির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গত ১২ এপ্রিল জয়নাল ফকির জোরপূর্বক ভাবে ঐ বাড়ির সীমানায় প্রাচীর নির্মাণ করছিল। তখন তোফাজ্জল হোসেন বাধা দিলে সেই বাধা উপেক্ষা কর তিনি সেখানে ভবন নির্মাণ করেন। তোফাজ্জল হোসেন কোন উপান্ত না পেয়ে চাঁদপুর আদালতের হৃদয় গং দের বিরুদ্ধে ফৌঃ কাঃ বিঃ আইনে ১৪৫ ধারার বিধান মতে আবেদন করলে গত ১৪ এপ্রিল চাঁদপুর বিজ্ঞ আদালতের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. তোফাজ্জল হোসেনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নথি পর্যালোচনা করে ৪৭০ স্মারকে মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) ওই স্থানের আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। এছাড়া মতলব উত্তর উপজেলা সরকারি কমিশনারকে (ভূমি) ঐ দাগের ভূমির দখল বিষয়ে মতামত সহ তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ান নির্দেশ করা হয়েছে। এবং দুই পক্ষকে কারণ দর্শাতেও নির্দেশ করা হয়েছে। আদালতের নোটিশের পরিপেক্ষিতে মতলব উত্তর থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মো. মিজানুর রহমান ১৪ এপ্রিল ঐ স্থানে দুই পক্ষকে নোটিশ প্রদান করেন এবং কাজ বন্ধ করে দিয়ে আসেন। এসময় তিনি জানিয়েছেন বিজ্ঞ আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এই স্থানে কোন রকমের কাজ করতে দেওয়া হবে না। পুলিশের নোটিশ পাওয়ার ২দিন পর ১৬ এপ্রিল সকালে আবার ঐ স্থানে আবার কাজ শুরু করেলে এসআই মিজানুর রহমান দ্বিতীয়বার কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) সকালে ছাত্রলীগের নেতা হৃদয় বহিরাগত লোকজন নিয়ে ২০ থেকে ২৫ জন লেবার নিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পুনরায় সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু করেছে।
এ বিষয়ে তোফাজ্জল হোসেন জানান, আমি কোন উপায়ান্তু না পেয়ে বিজ্ঞ আদালতের শরণাপন্ন হয়েছি। আদালত আমার প্রার্থনা মঞ্জুর করে এইখানে ১৪৫ ধারা জারি করেছে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কিন্তু তারা আদালতের রায় অমান্য করে বারবার কাজ করছে। শুক্রবার সকালে তারা অনেক লোকজন নিয়ে আবার কাজ শুরু করেছে। আমি বাধা দিতে গেলে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছি।
জয়নাল ফকির জানান, আমি আমার জায়গার সীমানায় দেওয়াল নির্মাণ করছি।
এ বিষয়ে হৃদয়ের সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। মতলব উত্তর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মো. মিজানুর রহমান জানান, ঐ স্থানে আদালত নিষেধাজ্ঞ জারি করলেন। আমি দুই পক্ষকেই জানিয়েছি এবং দুইবার কাজ বন্ধ করে দিয়ে এসেছি। আজকে (শুক্রবার) আমি চট্টগ্রামে মামলার সাক্ষী দিয়ে মতলবের উদ্দেশ্য রওনা দিয়েছি।


