তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ যখনই অধিকার বঞ্চিত হয়েছেন, তখনই বেগম জিয়া অধিকারহারা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, আন্দোলন করেছেন এবং রাজপথে ছিলেন সাধারণ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বাদ মাগরিব চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার গজরা ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির মাঠে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনায় আয়োজিত খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন তিনি।
তানভীর হুদা বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে আমাদের নেত্রীকে স্মৃতি-বিজড়িত বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। সেদিন তিনি সাংবাদিক সম্মেলনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে আল্লাহর দরবারে বিচার চেয়েছিলেন। পরিবার-পরিজনের কাউকে পাশে থাকতে দেওয়া হয়নি। অথচ দেশপ্রেমের টানে তিনি দেশ ত্যাগ করেননি।
তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরে বাংলাদেশ প্রবল অস্থিরতা থেকে যখন মুক্ত হয়, তখন দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার প্রতীক হয়ে ওঠেন বেগম খালেদা জিয়া। দেশকে পুনর্গঠন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে তিনি দল-মত নির্বিশেষে ঐক্যের বার্তা দিয়েছেন।
তানভীর হুদা জানান, গতকাল জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়েছে। তফসিলের পর রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ আইনত নিষিদ্ধ, তাই আজ কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য দেব না, শুধু বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করছি।
তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, মতলবের ৫ লক্ষ ভোটারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ, কারণ তিনি দেশের মানুষের কাঙ্ক্ষিত নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন। এই ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য মানুষ ১৭ বছর ধরে জীবন দিয়েছে, জেল খেটেছে, মামলায় জর্জরিত হয়েছে, ঘরছাড়া হয়েছে। এখন সেই অধিকার প্রয়োগের সুযোগ এসেছে।
তানভীর হুদা আরও বলেন, বিদেশি ষড়যন্ত্র ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরতে পারছেন না। তিনি ধৈর্য ধরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন।
এ সময় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী, সমর্থক এবং সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।


