মানববন্ধনে প্রধান বক্তা হিসেবে জোরালো বক্তব্য দেন বড় মরাদোন সরকার বাড়ি জামে মসজিদের সম্মানিত খতিব, মুসা কালিমুল্লাহ। তিনি ইজরায়েলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানান এবং ফিলিস্তিনিদের মুক্তির জন্য বিশ্ববাসীকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “ইজরায়েলের বর্বরতা শুধু ফিলিস্তিনের জনগণের ওপর নয়, এটি গোটা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। বিশ্ববাসীর নৈতিক দায়িত্ব ফিলিস্তিনের নিপীড়িত জনগণের পাশে দাঁড়ানো।” তিনি জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা ইজরায়েলের অপরাধের উপযুক্ত জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে।
এছাড়াও মানববন্ধনে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন এইচএম রবিউল আলম, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হাই সিকদার, বদিউজ্জামান ও হাফেজ ইয়াসিন। তারা ইজরায়েলের চলমান আগ্রাসনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেন এবং এর বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধি করার আহ্বান জানান। বক্তারা বলেন, “ইজরায়েল ফিলিস্তিনের জনগণের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অবিচার চালিয়ে আসছে, কিন্তু বিশ্ব মোড়লরা নীরব। এ নিপীড়ন বন্ধ করতে হলে মুসলিম বিশ্বসহ সকল শান্তিকামী জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”
বক্তারা আরও বলেন, ফিলিস্তিনের শিশু, নারী ও বৃদ্ধদের ওপর চালানো অব্যাহত হত্যাযজ্ঞ মানবতার চরম লঙ্ঘন। তারা বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে আহ্বান জানান, ইজরায়েলের এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে শক্তিশালী পদক্ষেপ নিতে হবে এবং ফিলিস্তিনের জনগণের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে।
মানববন্ধন শেষে ফিলিস্তিনের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া, ফিলিস্তিনের জনগণের জন্য ন্যায়বিচার ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সকলের দোয়া ও প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়।
মানববন্ধন শেষ তৌহিদি জনতা একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ঈদগাঁ ময়দান হতে শুরু করে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে শেষ করেন। এ সময় তৌহিদী জনগন ইজরায়েলের আগ্রাসন রোধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।


