মেঘনা নদীতে লঞ্চ থেকে পড়ে যাওয়া ব্যাক্তীর লাশ তিন দিন পর উদ্ধার

মো. আরিফুল ইসলাম:
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার করপুর কাঠি গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মোঃ আবুল কালাম আজাদ (৫২) লঞ্চ থেকে পড়ে গিয়ে নিখোঁজের তিনদিন পর  চাঁদপুরের মেঘনা নদী থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গত ৭ এপ্রিল রাত ১১ টায় কালাইয়া লঞ্চঘাট থেকে ঈগল ৫ লঞ্চ যোগে ঢাকায় যাওয়ার পথে  পা পিছলে নদীতে পড়ে যান।

তাকে না পেয়ে সাথে থাকা প্রতিবেশী তার বাড়িতে খবর দেন। এরপর গত তিনদিন মেঘনা নদীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রলারযোগে মাইকিং করা হয়। এছাড়াও চাঁদপুর মডেল থানা ও চাঁদপুর অঞ্চলের বিভিন্ন নৌ পুলিশ পাড়িতে বিষয়টি অবহিত করা হয়।
১০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকালে মৃত আবুল কালাম আজাদের লাশের সন্ধান পায় তার পরিবার। দ্রুত ছুটে এসে হাইমচর উপজেলার মাঝেরচর এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে মরুহুম আবুল কালাম আজাদের ভাতিজা সোহেল মিয়া জানান, আমরা চাচার সন্ধানে নদীতে মাইকিং করি এবং জেলেদেরকে আমাদের যোগাযোগের নাম্বার দিয়ে যাই। স্থানীয় এক জেলে লাশ দেখতে পেয়ে আমাদেরকে ভোর ৬ টায় ফোনে জানান। আমরা এসে লাশটি সনাক্ত করি। লাশটি মেঘনা নদীর মাঝের চরে জোয়ারের পানিতে উঠে চরে আটকা পরে। লাশটি উদ্ধার করে পুলিশকে অবহিত করে হরিনা ফেরি ঘাট হয়ে বাড়িতে নিয়ে যাই।

এ বিষয়ে হরিনা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির এসআই দাদন মিয়া জানান, নিখোঁজের বিষয় অভিযোগ পেয়ে আমরা মেঘনা নদীর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করি। তার লাশ আজকে মাঝের চর থেকে ভিকটিমের পরিবার উদ্ধার করেছেন এমন সংবাদ শুনতে পেয়েছি।