নিহতের পরিবার বলছে, আসামিদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন হবে। তারা অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে জুয়েলকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
জানা যায়, গত ৪ জুলাই সকালে ফরহাদ জুয়েল বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। পরিবারের খোঁজাখুঁজির একদিন পর, ৫ জুলাই সকালে হাইমচর উপজেলার নীলকমল এলাকার মেঘনা নদীতে তার মরদেহ ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। মরদেহে মাথা, পিঠ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা আবুল হাশেম বাদী হয়ে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৮-১০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে মতলব উত্তর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব জানান, ফরহাদ জুয়েল হত্যাকাণ্ডটি আমরা গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছি। পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, আরও যারা জড়িত রয়েছে তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। প্রয়োজনে তাদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। নিহত জুয়েলের পরিবার হত্যার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছে।


