নিহতের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম ও চার সন্তান রয়েছে—দুই ছেলে ও দুই কন্যা। পরিবারটির পূর্বেও দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। নিহত হাবিবুর রহমানের বড় ছেলে বিপ্লব সাত বছর আগে তার নানীর বাড়িতে বেড়াতে এসে রহস্যজনকভাবে মারা যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১১ জুলাই (বৃহস্পতিবার) রাতের কোনো এক সময় তিনি নিখোঁজ হন। পরদিন শুক্রবার সকালে স্থানীয় এক নারী কুলসুমা বেগম গোপালকান্দি এলাকার একটি পুকুরে ভাসমান মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। মতলব উত্তর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) দেলোয়ার হোসেন। তিনি জানান, নিহতের বাম চোখের নিচে রক্তাক্ত জখম রয়েছে এবং গলায় নখের আঁচড়ের চিহ্ন দেখা গেছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি পরিত্যক্ত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। ফোনটি চালু করে ডায়াল নম্বরের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
নিহতের বড় জামাতা নিজাম উদ্দিন জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে আমার শ্বশুর লেংটার মেলায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। আজ সকালে পুলিশ তার মোবাইল নম্বর থেকে আমাকে ফোন করে। আমি ডেমরা থেকে এসে দেখি, তিনি আর জীবিত নেই। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
তবে এটি আত্মহত্যা, দুর্ঘটনা না পরিকল্পিত হত্যা—তা নিশ্চিত করে বলতে পারেনি পুলিশ। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হলে জানিয়েছেন পুলিশ।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিস্তারিত তদন্ত চলছে।


