মো. মাসুদ রানা, কচুয়া, চাঁদপুর:
চাঁদপুরের কচুয়ায় মাত্র আড়াই কিলোমিটার রাস্তার জন্য ৮ গ্রামের মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এই রাস্তা দিয়ে এলাকার হাজারো কৃষক, শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ সর্ব পেশার মানুষ চলাচল করে। পাকা রাস্তা নির্মাণ করা না হলে বর্ষা মৌসুমে মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই।
জানা গেছে, কচুয়া উপজেলার পালাখাল মডেল ইউনিয়নের দোয়াটি সুতারবাড়ি ব্রীজ থেকে ভূঁইয়ারা কুদ্দুস প্রফেসরের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় আড়াই কিলোমিটারের রাস্তাটি কাঁচা। এ পথ দিয়ে ভূঁইয়ারা,মনসা নয়াকান্দি, দোয়াটি, মেঘদাইর সহ প্রায় ৮ গ্রামের হাজারো মানুষ আসা যাওয়া করে। সামান্য বৃষ্টির পানিতে মাটি গলে কাঁদায় পরিণত হয়। ফলে পুরো বর্ষা মৌসুম জুড়েই রাস্তাটি কাঁদা পানিতে একাকার হয়ে পড়ে। এ রাস্তাটি যানবাহন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। পাশাপাশি ওই সড়কের একটি কালভার্ট ভেঙ্গে যাওয়ায় কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারছে না।
স্থানীয় এলাকাবাসীরা বলেন, রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ায় গ্রামের শিক্ষার্থীরা অধিকাংশ সময় বিদ্যালয়ে সঠিক সময়ে উপস্থিত হতে পারে না। দীর্ঘদিন ধরে এ রাস্তাটি কাঁচা থাকায় এলাকার কৃষকরা কৃষিপন্য নিয়ে যেতে পারে না। চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় তাদের।
কয়েকজন শিক্ষার্থীরা বলেন, একটু বৃষ্টি হলে কাঁচা রাস্তাটি কাদায় পরিনত হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। নিয়মিত ভাবে আমরা স্কুল-কলেজে যেতে পারছি না। দ্রুত ভাবে কাঁচা রাস্তাটি পাকাকরনের দাবি জানান তারা।
চালকরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে এ রাস্তাটি কাঁচা অবস্থায় পড়ে আছে। কয়েক বার পরিদর্শন করা হলেও এখনো পর্যন্ত কাজের নাম নেই। আমরা এ রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে পারছি না। কোনো অসুস্থ্য রোগী এ সড়ক দিয়ে নিতেও পারছি না। এতে করে আমাদের চরম ভোগান্তির শিকার পেতে হয়।
কচুয়া উপজেলা প্রকৌশলী মো.আব্দুল আলীম লিটন বলেন, ইতিমধ্যে উপজেলার কয়েকটি কাঁচা সড়ক অনুমোদনের জন্য এলজিইডির উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হয়েছে। যদি ওই কাঁচা সড়ক তালিকা না হয় তাহলে পরিদর্শন করে তালিকা তৈরি করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হবে। প্রজেক্টটি অনুমোদন পেলে সড়ক পাকাকরণ কাজ শুরু হবে।


