স্টাফ রির্পোটার:
চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চারটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে দোকানিরা তাদের ব্যবসার সবকিছু হারিয়ে প্রায় সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছেন। প্রাথমিকভাবে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সোমবার দিবাগত ভোররাতে উপজেলার সূচিপাড়া উত্তর ইউনিয়নের শোরসাক দক্ষিণ বাজারের ঠাকুরবাড়ির সামনে সড়কের পাশের দোকানগুলোতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, অগ্নিকাণ্ডে প্রতিবন্ধী দেলোয়ার হোসেনের চায়ের দোকান, সাদ্দাম হোসেনের লেপ-তোষকের দোকান, আব্দুর রশিদের চায়ের দোকান এবং জাহাঙ্গীর আলমের সিএনজি যন্ত্রাংশের দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো সোমবার রাতে দোকানিরা দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যান। রাত আনুমানিক পৌনে ৪টার দিকে স্থানীয়রা দোকানগুলোতে আগুন জ্বলতে দেখে খবর দেন। খবর পেয়ে এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালালেও আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। পরে শাহরাস্তি ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। তবে এরই মধ্যে চারটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, দোকানে থাকা মালামাল, আসবাবপত্র ও ব্যবসার প্রয়োজনীয় সরঞ্জামসহ সবকিছু আগুনে পুড়ে গেছে। এতে তারা চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। প্রাথমিকভাবে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার পরদিন সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরা খাতুন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলে সরকারি সহায়তার আশ্বাস দেন।
এ সময় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আকবর বেপারী, সাধারণ সম্পাদক আলী হায়দার, উপজেলা বিএনপির তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. জালাল আহমেদ খোকন, সাবেক ইউপি সদস্য মো. ইব্রাহিম মোল্লা বাবলু, বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. শাহ আলম মোল্লা, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মানিক হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানিয়ে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।


