কচুয়ার তেগুরিয়া শিশু বিদ্যানিকেতনে দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা শুরু

স্টাফ রিপোর্টার:

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার তেগুরিয়া শিশু বিদ্যানিকেতনে উৎসবমুখর ও নকলমুক্ত পরিবেশে দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) বিদ্যালয়ের প্লে থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা পৃথকভাবে দুই শিফটে বাংলা পরীক্ষায় অংশ নেয়। প্রথম দিনের পরীক্ষায় প্রায় তিন শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

সকাল থেকেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে প্রাণচাঞ্চল্যকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে পরীক্ষায় অংশ নেয়। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সার্বিক তত্ত্বাবধানে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

পরীক্ষার প্রথম দিনে কেন্দ্র পরিদর্শন করেন তেগুরিয়া শিশু বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক ও রিয়েল ভিশন গ্রুপের চেয়ারম্যান মাওলানা মো. ওমর ফারুক। তিনি বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষ ঘুরে পরীক্ষার পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি এবং পরীক্ষা পরিচালনার সার্বিক বিষয় পর্যবেক্ষণ করেন।

এ সময় পরীক্ষার সার্বিক সহযোগিতা ও ব্যবস্থাপনায় ছিলেন বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. মোতালেব মোল্লা, সিনিয়র শিক্ষক সাকিব আল হাসান জুয়েলসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

পরিদর্শনকালে প্রধান শিক্ষক মাওলানা মো. ওমর ফারুক বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতা মূল্যায়নের জন্য নিয়মিত পরীক্ষার কোনো বিকল্প নেই। নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা যাতে আনন্দঘন পরিবেশে নিজেদের মেধার সর্বোচ্চ প্রকাশ ঘটাতে পারে, সেদিকে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনা ও শৃঙ্খলা মেনে চলার আহ্বান জানান।

এদিকে পরীক্ষা শেষে আসন্ন পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষার্থীদের শিক্ষার মানোন্নয়ন, বৃত্তি অর্জনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি এবং শতভাগ ফলাফল অর্জনের বিষয়ে অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধান শিক্ষক মাওলানা মো. ওমর ফারুক।

মতবিনিময় সভায় শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনা, বাড়িতে পড়াশোনার উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা, বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা এবং পরীক্ষার প্রস্তুতিতে অভিভাবকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের পাশাপাশি মেধাবৃত্তি পাওয়ার উপযোগী করে গড়ে তুলতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আসন্ন পরীক্ষায় শতভাগ সাফল্য অর্জনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন প্রধান শিক্ষক।

এ আয়োজনকে ঘিরে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।